সুন্দরবন সহ দেশের দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুত প্রকল্প ও শিল্প কারখানা স্থাপন প্রসঙ্গে সুলতান কামাল বলেন " আমারা ইচ্ছা করলেই সুন্দরবন, সারা দেশের বনরাজি, নদী, উপকূল, জলাশয়, বতাস এমনি সব কিছুকেই বাঁচিয়ে উন্নয়নের পথে এগোতে পারি"।
সুন্দরবনে রামপাল প্রকল্প বন্ধের দাবি জানিয়ে সুলতানা কামাল বলেন 'রামপাল বিদ্যুত প্রকল্পের নির্মাতা ভারতীয় কম্পানি এনটিপিসি তাঁদের নিজ দেশেই সব কয়লাভিত্তিক প্রকল্প স্থগিত করেছে । অথচ একই প্রতিষ্ঠান প্রবল গ্ণ-আপত্তির মুখেও বালাদেশে কয়লা-বিদ্যুত তৈরিতে ্পিছপা হচ্ছে না । এটি নিঃসন্দেহ একটি দায়িত্বজ্ঞাণহীন ডাবল স্টান্ডার্ড আচরণ ।
সংবাদ সম্নেলনে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সুলতান কামাল, সভা পরিচালনা করেন মোঃ আব্দুল মতিন (বাপা) । তিনি বলেন সুন্দরবন ধ্বংস হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ধ্বংসের মুখে পড়বে । সেখানে অনেক অসহায় মানুষের জীবিকা সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল । সরকারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সুন্দরবনকে রক্ষা করার জন্য । কিন্তু সরকার খুব একটা করছে না ।
যুগ্ম সম্পাদক শরীফ জামিল বলেন এ বছরের ৩০ জুন জুন আজারবাইজানে ইউনেস্কো বিশ্ব ইতিহ্য কমিটির ৪০ সভায় সুন্দরবনের দুরবস্থা নিয়ে আলোচনার পর কিছু সিদ্ধান্ত হয় । সিন্ধান্তগুলোর একটি যতক্ষণ না পর্যন্ত স্ট্র্যাটেজিক এনভায়রমেন্টাল অ্যাসেসমেন্ট (এসইএ) না আসে ততক্ষণ সুন্দরবনে কোনো ভারী শিল্প নির্মণ-প্রক্রিয়ার অনুমতি সরকার দিবে না । তাই রামপাল সহ যেসব ভারী শিল্পকারখানা নির্মণ চলমান আছে সেসব বন্ধ রাখতে হবে । তিনি বলেন সরকার ইউনেস্কোকে বলে এসেছে এসব সিদ্ধান্ত মানবে কিন্তু সরকার মানছে না।
পাঁচ দফা দাবি সংবাদ সম্নেলনে তুলে ধরা হয়
- রামপাল বিদ্যুত প্রকল্প বাতিল করা
- সুন্দরবন বাফার জোন
- কোর জোন ও বনের নিকটবর্তী সব কলকারখানা
- এলপিজি কারখানা বন্ধ করা, ইউনেস্কোর সব দিকনির্দেশনার পূর্ণ বাস্তবায়ন করা
- লাল ক্যাটাগরির শিল্পকে সবুজ করার কাজ বন্ধ করা ও দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে কোশলগত পরিবেশ সমীক্ষার কার্যসীমা নির্ধরণ করা । সূত্র- রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর -রুনি মিলনায়তন ।

إرسال تعليق